মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশুরা অভিযুক্ত আমিনুল ইসলামকে সম্পর্কে ‘দাদু’ বলে ডাকত। সেই সুবাদে তারা মাঝেমধ্যেই তার বাড়িতে খেলতে যেত। বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তি সুকৌশলে বিস্কুট খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে শিশুদের নিজের শয়নকক্ষে নিয়ে যায়। এরপর তাদের জোরপূর্বক ধর্ষণ করে এবং বিষয়টি বাড়ির কাউকে জানালে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। জানা গেছে, এভাবেই গত শুক্র ও শনিবার ছয় বছর বয়সী এক শিশুকে এবং রবিবার পাঁচ বছর বয়সী আরেক শিশুকে সে ধর্ষণ করে।
পরবর্তীতে শিশু দুটি অস্বাভাবিকভাবে কান্নাকাটি করলে পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। এক শিশুর বড় আম্মা তাদের কান্নার কারণ জিজ্ঞাসা করলে, প্রথম শিশুটি ভয়ে কিছু না বললেও দ্বিতীয় শিশুটি প্রচণ্ড ব্যথার কথা জানিয়ে পুরো ঘটনাটি খুলে বলে। তাৎক্ষণিকভাবে পরিবারের লোকজন তাদের চিকিৎসার জন্য পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এ বিষয়ে হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মাছুদ জানান, শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়ে শিশু দুটি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। শারীরিক পরীক্ষায় তাদের শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। হাসপাতাল থেকে প্রাথমিকভাবে প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। বর্তমানে শিশুরা চিকিৎসাধীন রয়েছে এবং শারীরিকভাবে সুস্থ আছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বোদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা জানান, ভুক্তভোগী পরিবারের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়ার পরই সোমবার রাতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত আমিনুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আসামিকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
বার্তা নিউজ/পিআরএএন










