ইউক্রেন কর্তৃপক্ষ জানায়, হামলার মাত্র ১৫ মিনিট আগে সতর্কতা জারি করে ট্রেনের সব যাত্রীকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। রুশ জেটচালিত ড্রোনের আঘাতে ট্রেনটির ইঞ্জিন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঘটনাস্থলটি পোল্যান্ড সীমান্ত থেকে মাত্র ২ কিলোমিটার দূরে।
কিয়েভে একটি সম্মেলন শেষে বরিস জনসন এবং যুক্তরাজ্যের জোনাথন পাওয়েলসহ ইউরোপের শীর্ষ জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টারা অন্য একটি ট্রেনে একই রেলপথ দিয়ে ফিরছিলেন। এ ছাড়া হামলার সময় মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ-এর সাবেক প্রধান ডেভিড পেট্রাউসও ইয়াহোদিন স্টেশনে অবস্থানরত অপর একটি ট্রেনে ছিলেন।
রাশিয়ার দাবি, তারা পশ্চিম ইউক্রেনের ‘রেলওয়ে অবকাঠামো’ লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। তবে ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় রেল সংস্থা ‘উকরজালিজনিৎসিয়া’ জানিয়েছে, রাশিয়ার ড্রোন হামলার মূল লক্ষ্য ওই কূটনৈতিক ট্রেনটি হওয়ার প্রবল আশঙ্কা ছিল। রুশ হামলার আশঙ্কায় সময়সূচি পরিবর্তন করে ট্রেনটি নির্ধারিত সময়ের আগেই স্টেশন ছেড়ে যাওয়ায় বড় ধরনের বিপর্যয় এড়ানো গেছে।
বার্তা নিউজ/এসডব্লিউএন














