ইসলামনগর সড়কের একটি মেসে চুরির অভিযোগ তুলে আজমুলকে মারধরের পর চারতলার ছাদ থেকে পড়ে তিনি গুরুতর আহত হন বলে অভিযোগ ওঠে। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। শনিবার রাতে চুয়াডাঙ্গার বড়শলুয়া গ্রামের কবরস্থানে আজমুলের দাফন সম্পন্ন হয়। স্বজন ও এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে সেখানে শোকাবহ পরিবেশ তৈরি হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাটিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড দাবি করে দ্রুত জড়িতদের শনাক্ত ও শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।
এদিকে, ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন এবং জড়িতদের শাস্তির দাবিতে দুপুরে ক্যাম্পাসে প্রতিবাদ জানান খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তবে নির্দোষ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হন, সেই দাবিও জানান তারা। শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গে একাত্মতা জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মুহাম্মদ সালাউদ্দিন বলেন, কোনো শিক্ষার্থী অপরাধে জড়িত প্রমাণিত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বার্তা নিউজ/আরএসএল









.webp)


