নিহতের ছেলে মৃণাল হাজরা জানান, তিন দিন ধরে আমার মা নিখোঁজ ছিলেন। সকালে ঘরের সামনের রাস্তার ধারের পাটখেতের পাশ থেকে দুর্গন্ধ বের হলে এগিয়ে গিয়ে মায়ের মরদেহ দেখতে পাই। কে বা কারা আমার মাকে হত্যা করে এখানে ফেলে গেছে। মায়ের কান ও নাকে স্বর্ণালংকার ছিল, তাঁকে মেরে সবকিছু লুট করে নিয়ে গেছে।
বৌলতলী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (আইসি) সিরাজুল ইসলাম জানান, নিহত পরি রানী হাজরা তিন দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন। আজ সোমবার সকালে বাড়ির পাশ থেকে দুর্গন্ধ পেয়ে স্থানীয়রা মরদেহটি দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
বার্তা নিউজ/এসডব্লিউএন




.webp)
-674c8e0a316a3-(1).webp)







