মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকালে আল-সাঈদকে লক্ষ্য করে ট্রাম্প ও ভ্যান্স বিভিন্ন বর্ণবাদী মন্তব্য ও কটূক্তি করেছিলেন। রজার্স ছিলেন ট্রাম্পের মনোনীত প্রার্থী। প্রচারণাকালে ট্রাম্প এই চিকিৎসকের নাম নিয়ে উপহাস করেছিলেন এবং দাবি করেছিলেন যে প্রেসিডেন্ট হিসেবে মিশিগানের সাবেক এই জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে তিনি যেকোনো নামে ডাকতে পারেন। ট্রাম্প এল-সাঈদকে ‘জিহাদি’ বলে আখ্যা দিয়েছিলেন, অন্যদিকে ভ্যান্স তাকে ‘সাইকোপ্যাথ’ বা মানসিক বিকারগ্রস্ত বলে বর্ণনা করেছিলেন।
এখন নির্বাচনের ফলাফলে বিজয়ী হয়ে ৪২ বছর বয়সী এল-সায়িদ ট্রাম্প-ভ্যান্স জুটিকে মনে করিয়ে দিয়েছেন, খুব শিগগিরই তাদেরকে তার নামের সাথে ‘সিনেটর’ উপাধি ব্যবহার করে সম্বোধন করতে হবে।
বুধবার ভোরের দিকে এক তীব্র লড়াইয়ের নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পূর্বাভাস আসার পর আনন্দিত সমর্থকদের উদ্দেশ্যে আল-সাঈদ বলেন, ‘জেডি, হাবিবি (আরবিতে আদরের ডাক), এটা একটা চরম পরিহাস যে- সংবিধান অনুযায়ী আগামী জানুয়ারিতে আপনি আমাকে শপথ পাঠ করাতে বাধ্য।’
ট্রাম্পকে উদ্দেশ করে তিনি আরও বলেন, ‘ডোনাল্ড, আমি জানি আমার নাম উচ্চারণ করতে আপনার বেশ কষ্ট হয়, তাই জেডি যখন আমাকে শপথ করাবেন, তখন থেকে আপনি আমাকে ‘সিনেটর’ বলে ডাকতে পারেন। আমরা যেন মিশিগানে আপনার মতো মানুষদের আর কখনো দেখতে না পাই।’
মঙ্গলবার রিপাবলিকান প্রার্থী রজার্সকে পরাজিত করার মধ্য দিয়ে এই ডেমোক্র্যাট নেতা মার্কিন সিনেটে নির্বাচিত প্রথম মুসলিম হিসেবে ইতিহাস সৃষ্টি করলেন। তার নির্বাচনী প্রচারণা পর্বে বিভিন্ন ব্যক্তিগত আক্রমণের পাশাপাশি তার ধর্মবিশ্বাস, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক তৎপরতার বিরোধিতা এবং ওয়াশিংটনের ইসরায়েল-নীতির সমালোচনার জন্য তাকে লক্ষ্যবস্তু বানানো হয়েছিল।
বার্তা নিউজ/এসডব্লিউএন






.webp)





