কিয়েভ জানিয়েছে, রাশিয়ার ভোরোনেজ অঞ্চলে অবস্থিত ১১২তম মিসাইল ব্রিগেডের অধীনে প্রায় ৯০ জন উত্তর কোরিয়ান কর্মীকে ভিত্তি করে এই ইউনিটটি গঠন করা হচ্ছে। আগামী মাসে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এই মোতায়েনের চূড়ান্ত রূপরেখা এবং মোট ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যা নির্ধারিত হবে। তবে প্রাথমিকভাবে এতে ১২০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ছয়টি লঞ্চার যুক্ত থাকতে পারে বলে ধারণা করছে কিয়েভ।
ইউক্রেন বর্তমানে উচ্চমানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার তীব্র সংকটে ভুগছে। রাশিয়ার তরফ থেকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় এই সংকট আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে, কারণ এই ধরনের ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ভূপাতিত করা অত্যন্ত কঠিন।
বিদেশি থিঙ্ক ট্যাংকের বিশ্লেষক রব লি বলেন, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অভাব ইউক্রেনের অন্যতম বড় দুর্বলতা। বিশেষ করে শীতকালে রাশিয়ার পক্ষ থেকে গ্রিড বা জ্বালানি অবকাঠামোতে ভারী হামলার আশঙ্কা রয়েছে, যা কিয়েভের জন্য বড় উদ্বেগের বিষয়।
এর আগে ২০২৩ সালের শেষ দিক থেকে রাশিয়া উত্তর কোরিয়ার তৈরি ১৫০টি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। সম্প্রতি ইউক্রেনের রাদুশনে গ্রামে উত্তর কোরীয় ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে একই পরিবারের পাঁচজন নিহত হওয়ার ঘটনাও ঘটে।
তবে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং জাতিসংঘে অবস্থিত উত্তর কোরিয়ার দূতাবাস। ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের মতে, ২০২২ সালে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে উত্তর কোরিয়া রাশিয়াকে কোটি কোটি আর্টিলারি শেল সরবরাহ করার পাশাপাশি কুরস্ক অঞ্চলে হাজার হাজার সেনা মোতায়েন করেছে।
বার্তা নিউজ/এসডব্লিউএন













