তিনজনের মধ্যে একজন কোতোয়ালি মডেল থানার এএসআই শ্যামল সাহা, একজন কনস্টেবল হানিফ এবং অপরজন পুলিশের সোর্স জাহিদ। তাদের বিরুদ্ধে পরিচয়পত্র না দেখিয়ে দুই শিক্ষার্থীকে তল্লাশির অভিযোগ ওঠে।
শিক্ষার্থীদের দাবি, পরিচয়পত্র দেখতে চাইলে তারা তা দেখাতে পারেননি। পরে সন্দেহ হলে তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে করে ক্যাম্পাসে নিয়ে আসা হয়।
তবে এএসআই শ্যামল সাহার দাবি, শিক্ষার্থীদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর তাদের ছেড়ে দেয়া হয়েছিল। পরে শিক্ষার্থীরাই তাদের জোর করে ক্যাম্পাসে নিয়ে আসেন।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহাদাৎ হোসাইন বলেন, উভয় পক্ষেরই কিছু ভুল ছিল। আলোচনা করে বিষয়টির সমাধান করা হয়েছে।
কুমিল্লার সহকারী পুলিশ সুপার মোস্তায়িন বিল্লাহ ফেরদৌস বলেন, উভয়েরই ভুল ছিল। এ ধরনের ঘটনায় কাউকে জোর করে নিয়ে আসা কাম্য নয়।
বার্তা নিউজ/এসভিএন



.webp)










