পরবর্তী অ্যাশেজ সিরিজে নিজের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা জানিয়ে টেস্ট ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় ইঙ্গিত দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার অভিজ্ঞ এই ব্যাটার। আগামী জুনে ট্রেন্টব্রিজে প্রথম অ্যাশেজ টেস্ট শুরুর আগেই ৩৮ বছরে পা দেবেন স্মিথ। ফলে ইংল্যান্ডের মাটিতে তার ব্যাটিং দাপট আরেকবার দেখা যাবে কি না, তা নিয়েই এখন প্রশ্ন।
ইংল্যান্ডে স্মিথের টেস্ট রেকর্ড অসাধারণ। সেখানে ২৩ টেস্টে ৫৪.২৭ গড়ে আটটি সেঞ্চুরি ও ১০টি হাফ সেঞ্চুরিতে করেছেন ২৩৩৪ রান। গত দুই ইংল্যান্ড সফরেও ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম সেরা ব্যাটার। তবে ব্যক্তিগত সাফল্য থাকলেও বিদেশের মাটিতে অ্যাশেজ সিরিজ জয়ের স্বাদ এখনো পাননি তিনি।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ-কে স্মিথ জানিয়েছেন, আগামী বছর ইংল্যান্ডে অ্যাশেজ খেলবেন-এমন নিশ্চয়তা তিনি এখনই দিতে পারছেন না। তার ভাষায়, ‘আমি এখনও জানি না সেখানে থাকব কি না। এখন আমি অনেকটা সিরিজ ধরে ধরে এগোচ্ছি। এই মুহূর্তে অ্যাশেজ এখনও অনেক দূরের ব্যাপার। অবশ্যই ইংল্যান্ডে অ্যাশেজ জিততে পারলে ভালো লাগবে, তবে সেটা বাস্তবে হয় কি না, দেখা যাক।’
টেস্ট ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও নতুন একটি লক্ষ্য সামনে এনেছেন স্মিথ। ২০২৮ লস অ্যাঞ্জেলস অলিম্পিকে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলার স্বপ্ন দেখছেন তিনি। টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ার আরও কয়েক বছর চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছাই হয়তো তাকে টেস্ট নিয়ে নতুন সিদ্ধান্তের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
স্মিথ বলেন, ‘এই মুহূর্তে অলিম্পিকে খেলতে পারাই সম্ভবত আমার বড় লক্ষ্য। আমার এখনও মনে হয়, আরও কিছুদিন টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট খেলতে পারব। ক্রিকেট ছাড়ার পর কী করব, সেটা এখনো জানি না। আশা করছি, খেলার জন্য আরও কিছু সময় পাব।’
২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারির পর থেকে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে টি-টোয়েন্টি খেলেননি স্মিথ। তবে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে তিনি নিয়মিত। বিগ ব্যাশে সিডনি সিক্সার্স, ইউরোপিয়ান টি-টোয়েন্টি লিগে আমস্টারডাম ফ্লেমস, মেজর লিগ ক্রিকেটে ওয়াশিংটন ফ্রিডম এবং পাকিস্তান সুপার লিগে শিয়ালকোট স্ট্যালিয়ন্সের হয়ে খেলেছেন তিনি।
তবে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের বাইরে এখন আবার আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতেও ফিরতে চান স্মিথ। সেই লক্ষ্য পূরণে টেস্ট ক্যারিয়ারের ইতি টানার সিদ্ধান্ত সামনে এগিয়ে আসছে কি না, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।
বার্তা নিউজ/ আরএফই





.00_03_31_14.Still005.webp)








