গ্রেপ্তার মোহাম্মদ আলী বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার রফিকুল ইসলামের ছেলে। তিনি ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের কাশর চৌরাস্তা এলাকায় অবস্থিত ‘মাদরাসাতুত তাকওয়া’ নামের একটি কওমি মাদ্রাসার বাংলা বিভাগের শিক্ষক ছিলেন।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিশুটি ওই মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। গত ২ নভেম্বর সকালে শ্রেণিকক্ষে পড়া দিতে গেলে শিক্ষক মোহাম্মদ আলী তাকে আপত্তিকর অঙ্গভঙ্গি দেখান এবং নিজের মুঠোফোনে অশালীন ভিডিও প্রদর্শন করে অনৈতিক কাজে প্ররোচিত করার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
পরে শিশুটি পরিবারের সদস্যদের কাছে বিষয়টি জানায়। ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে এলাকাবাসী অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।
এদিকে ঘটনার পর মাদ্রাসাটিতে অভিযান চালিয়ে কথিত যৌন উত্তেজক সামগ্রী, তন্ত্রমন্ত্র ও জাদুবিদ্যাসংক্রান্ত বই, শতাধিক ব্যক্তির নাম বা মন্ত্র লেখা ছবি, তাবিজসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করেছে পুলিশ। তবে এসব সামগ্রীর ব্যবহার ও ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তদন্তের ফল এখনো জানা যায়নি।
ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, শিশুটির বাবা বাদী হয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মামলা করেছেন। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বার্তা নিউজ/এসডব্লিউএন













.webp)