বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় আয়োজিত এ আয়োজনে দেশীয় উদ্ভাবকদের সঙ্গে নীতিনির্ধারক, উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী এবং উন্নয়ন সহযোগীদের মধ্যে একটি টেকসই অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, দেশের তৃণমূল পর্যায়ে বহু সম্ভাবনাময় প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী ধারণা তৈরি হলেও নীতি সহায়তা, প্রাথমিক তহবিল ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার অভাবে তা বাস্তবে রূপ পায় না। এসব প্রশাসনিক ও আর্থিক প্রতিবন্ধকতা দূর করে উদ্ভাবনের মেধাস্বত্ব সংরক্ষণ এবং তা বাণিজ্যিক রূপ দেওয়াই এই প্রদর্শনীর মূল লক্ষ্য।
এবারের মেলায় সরকারি-বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, ৭৩টি পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়, স্বতন্ত্র গবেষক, শিক্ষার্থী, নতুন স্টার্টআপ, এসএমই খাত ও বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীরা অংশ নিয়েছেন। আয়োজনে প্রযুক্তি, ব্যবসা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও পরিবেশসহ বিভিন্ন খাতের এক হাজারের বেশি নতুন ও সম্ভাবনাময় উদ্ভাবন প্রদর্শিত হচ্ছে। এ আয়োজনে কৌশলগত অংশীদার হিসেবে রয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), ডিপিডিটি ও এফআইসিসিআই এবং কারিগরি সহযোগিতায় রয়েছে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)।
আগামীকাল মেলার দ্বিতীয় দিনে স্বাস্থ্যসেবা খাত নিয়ে ‘সবার জন্য স্বাস্থ্য উদ্ভাবন: সাশ্রয়ী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ সম্প্রসারণ’ শীর্ষক একটি বিশেষ আন্তর্জাতিক সেশন অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় কম খরচে মানসম্মত চিকিৎসা পৌঁছে দেয়ার প্রযুক্তি নিয়ে আলোচনা করা হবে। উক্ত সেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। মেলাটি আগামী দুই দিন দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
বার্তা নিউজ/এমএনকে







