বিদায়ী ভাষণে স্বিরিদেঙ্কো বলেন, এই বছরের প্রতিটি দিনই কঠিন সিদ্ধান্ত এবং নিষ্পত্তিমূলক পদক্ষেপের দাবি রেখেছিল। আমি প্রাপ্ত আস্থা ও সমর্থনের জন্য গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। এক বছর আগে সিনিয়র কর্মকর্তাদের জড়িত একটি বড় দুর্নীতি মামলার পর তাকে মন্ত্রিসভার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তবে সমালোচকদের দাবি, তিনি দুর্নীতি দমনে যথেষ্ট কঠোর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছেন।
প্রেসিডেন্ট জেলেঙ্কি জানিয়েছেন, ইউক্রেন তাদের রাজনৈতিক কৌশল পরিবর্তন করছে এবং নতুন নেতৃত্ব প্রয়োজন। তবে এই রদবদলের বিষয়ে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা তিনি দেননি। বিরোধীরা সরকারের এই ঘন ঘন পরিবর্তন নিয়ে সমালোচনা করেছেন।
প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের ফলে পুরো ইউক্রেনীয় সরকার ভেঙে পড়েছে। নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাষ্ট্রীয় তেল ও গ্যাস কোম্পানি নাফতোগাজ-এর প্রধান সের্হি কোরেতস্কির নাম জোরালোভাবে আলোচনায় আসছে। এছাড়া বর্তমান জ্বালানি মন্ত্রী ডেনিস শমিহাল বা প্রতিরক্ষামন্ত্রী মাইখাইলো ফেদোরোভের নামও আলোচনায় রয়েছে।
চলমান যুদ্ধকালীন অর্থনীতি সচল রাখা এবং রাশিয়ার হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত বেসামরিক অবকাঠামো মেরামত করাই হবে নতুন সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ। বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী স্বিরিদেঙ্কো সতর্ক করে বলেছেন, আসন্ন শীতকাল মোকাবিলা করাই হবে নতুন প্রশাসনের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা, কারণ রাশিয়া ইউক্রেনের বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ লক্ষ্য করে হামলা আরও জোরদার করতে পারে।
সূত্র: রয়টার্স
বার্তা নিউজ/এসএফএল








.webp)




