তিনি বলেন, "যুক্তরাষ্ট্রের অহংকারী প্রেসিডেন্টকে অবশ্যই আন্তর্জাতিক আইন এবং অন্যান্য জাতির অধিকার ও মর্যাদাকে সম্মান করা শিখতে হবে। যুদ্ধ, শত্রুতা বা মার্কিন আগ্রাসনের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি কখনোই খোলা হবে না।"
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসন ও সংঘাত বন্ধের লক্ষ্যে গত মাসে দুই পক্ষের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছিল। ওই অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তি অনুযায়ী, ইরান ৬০ দিনের জন্য এই প্রণালি দিয়ে শুল্কমুক্ত জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিতে সম্মত হয় এবং একটি বিশেষ সামুদ্রিক রুট নির্ধারণ করে।
ইরানের অভিযোগ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সেই চুক্তি লঙ্ঘন করে একটি অবৈধ পথ দিয়ে জাহাজ পারাপারের চেষ্টা চালায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ওয়াশিংটন আঞ্চলিক নৌ-চলাচলে হস্তক্ষেপ বন্ধ না করা পর্যন্ত এই করিডোর বন্ধ করে দেয় ইরান।
সেনাবাহ মুখপাত্র আকরামি-নিয়া পুনর্ব্যক্ত করেন যে, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খোলার একমাত্র উপায় হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে হবে এবং যুদ্ধ-সমাপ্তির সমঝোতা স্মারকের শর্তাবলী মেনে চলতে হবে। চুক্তির বাইরে যেকোনো পদক্ষেপের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।
বক্তব্যের শেষ অংশে তিনি গত চার মাস ধরে বিদেশি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নেওয়ায় এবং দেশের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনির বিদায় ও জানাজা অনুষ্ঠানে লাখ লাখ মানুষের ঐতিহাসিক উপস্থিতির মাধ্যমে জাতীয় ঐক্য প্রদর্শন করায় ইরানি জনগণকে ধন্যবাদ জানান।
সূত্র: প্রেস টিভি
বার্তা নিউজ/এসএফএল









