‘জানফাদায়ে ইরান’ বা ‘ইরানের জন্য আত্মত্যাগকারী’ নামে পরিচালিত এ কর্মসূচিতে সীমিত সামরিক প্রশিক্ষণ নিতে আগ্রহীদের অংশগ্রহণ করতে দেখা যায়। অনেকেই সামরিক পোশাক পরে পতাকা ও অস্ত্র হাতে মিছিলে অংশ নেন। তেহরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের প্রধান জেনারেল হাসান হাসানজাদেহ দাবি করেন, ছয় লাখের বেশি মানুষ ইতোমধ্যে নিবন্ধন করেছেন এবং প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ১০ লাখ ছাড়াতে পারে।
সমাবেশে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানসহ শীর্ষ সামরিক ও সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। নতুন বাসিজ প্রধান হোসেইন তাইব বলেন, স্বেচ্ছাসেবীদের পূর্ণাঙ্গ প্রতিরক্ষার জন্য প্রস্তুত করা হবে এবং দেশের অন্যান্য শহরেও একই ধরনের কর্মসূচি আয়োজন করা হবে।
সমাবেশে বিমানবিধ্বংসী অস্ত্র, ড্রোন ও ট্রাক-মাউন্টেড মেশিনগানসহ বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জাম প্রদর্শন করা হয়। কয়েকজন অংশগ্রহণকারী যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পতাকা পদদলিত করেন এবং দেশ দুটির বিরুদ্ধে স্লোগান দেন।
ইরানের অর্থনৈতিক সংকট ও অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই সরকার এ কর্মসূচির মাধ্যমে জনসমর্থন ও প্রতিরক্ষা প্রস্তুতির বার্তা তুলে ধরছে।
বার্তা নিউজ/এসএফএল












.webp)