মামলার বাদী সুলতান আহমেদ বুড়িচং উপজেলার বাকশিমুল ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। তাঁর অভিযোগ, চাঁদা না দেওয়ায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি উপজেলার মাশরা এলাকায় তাঁকে ও তাঁর ছেলে শাহরিয়ার হোসেন শুভকে কুপিয়ে জখম করা হয়। এ ঘটনায় ১৫ ফেব্রুয়ারি বুড়িচং থানায় মামলা করেন তিনি।
মামলায় বাকশিমুল উত্তরপাড়া এলাকার মৃত ওবায়দুল হকের ছেলে এনামুল হক সবুজ ছাড়াও রহিম খান লিটন, এহসানুল হক, মো. কামাল হোসেন, বাহার মিয়া ও মো. মিঠুকে আসামি করা হয়। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও চার থেকে পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে।
অন্যদিকে, একই ঘটনায় এনামুল হক সবুজ ও তাঁর ছোট ভাইও হামলায় আহত হয়েছেন বলে পাল্টা অভিযোগ রয়েছে। তাঁদের কুপিয়ে জখম করার অভিযোগে সুলতান আহমেদকে প্রধান আসামি করে আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে বুড়িচং থানায় পাল্টা মামলা করেন সবুজ।
এনামুল হক সবুজের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফারুক আহমেদ বলেন, মারামারির ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আদালত তাঁর মক্কেলের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়েছেন। তাঁর ভাষ্য, দুই পক্ষের মধ্যে আপস হয়েছিল। মামলায় দণ্ডবিধির ৩২৬ ও ৩২৭ ধারার অভিযোগ রয়েছে বলেও জানান তিনি।
তবে সংঘর্ষের কারণ সম্পর্কে ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন বাকশিমুল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জসীম উদ্দীন। তিনি বলেন, তাঁর যতদূর মনে পড়ে, রেলওয়ের সরকারি মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছিল। এ ঘটনায় উভয় পক্ষ মামলা করেছে। আহত সুলতান আহমেদ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বলেও নিশ্চিত করেন তিনি।
এনামুল হক সবুজ কারাগারে থাকায় অভিযোগের বিষয়ে তাঁর বক্তব্য নেওয়া যায়নি।
বার্তা নিউজ/এমএনকে

.webp)












