কৃষি বিপণন আইনের ১৯ (১)-এর (ঠ) ধারায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাভিদ সারওয়ার। আদালত পরিচালনায় সহযোগিতা করেন জেলা জ্যেষ্ঠ কৃষি বিপণন কর্মকর্তা ইসরাত জাহান মুন ও থানা-পুলিশ। পরে জব্দ করা সার ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করে অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
অভিযান সূত্রে জানা গেছে, কুমারখালীর জগন্নাথপুর ইউনিয়নের চাপাইগাছি কালভার্ট এলাকার মেসার্স কৃষি ঘরের স্বত্বাধিকারী মো. সাইফুল ইসলামের কীটনাশক বিক্রির লাইসেন্স আছে। নীতিমালা অনুযায়ী কীটনাশকের লাইসেন্সে সার বিক্রির নিয়ম নেই। কিন্তু সাইফুল ইসলাম কখনো কৃষক সেজে, আবার কখনো অন্যদের কৃষক সাজিয়ে বিভিন্ন ডিলার পয়েন্ট থেকে সার কিনে মজুত করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছেন এবং মজুত করা সার অতিরিক্ত দামে বিক্রি করছেন।
রবিবার সন্ধ্যায় সাইফুলের দোকানে অভিযান চালিয়ে ২৭ বস্তা ডিএপি, ৯ বস্তা এমওপি, ৭ বস্তা টিএসপি ও ৩ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়। জব্দ করা সার স্থানীয় জনপ্রতিনিধির জিম্মায় রাখা হয়। আগামীকাল (সোমবার) সকালে এসব সার ন্যায্যমূল্যে কৃষকদের মাঝে বিক্রি করা হবে। বিক্রির টাকা নিয়ম অনুযায়ী সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে। এ ছাড়া কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগে ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযোগ স্বীকার করে ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আমার কীটনাশকের লাইসেন্স আছে। কখনো কৃষক সেজে এবং কখনো অন্য কৃষকদের কাছ থেকে বেশি দামে সার কিনে মজুত করি। পরে আবার বেশি দামে তা বিক্রি করে থাকি। আমার ভুল হয়েছে।’
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাভিদ সারওয়ার বলেন, ‘কৃষক সেজে অবৈধভাবে সার কিনে মজুত করে কৃত্রিম সংকটের অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ ছাড়া দোকান থেকে ৪৬ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে, যা কৃষকদের মাঝে ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করে অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে। জনস্বার্থে এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
বার্তা নিউজ/এসভিএন











.webp)

