এদিকে একই বিমানবন্দরের কাছাকাছি এলাকায় আরেকটি অজ্ঞাত বস্তুর সঙ্গে অন্য একটি কার্গো বিমানের ধাক্কা লাগে। পরবর্তীতে বিমানটি হ্যানোভারে নিরাপদে অবতরণ করলে সেটিতে সামান্য ক্ষয়ক্ষতির চিহ্ন পাওয়া যায়।
এর আগে সামরিক ঘাঁটি ও বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন সংবেদনশীল স্থানে অননুমোদিত ড্রোন উড়ার একাধিক ঘটনার পর থেকেই জার্মান বিমানবন্দরগুলোতে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি রয়েছে। পুলিশের ধারণা, এই ড্রোনগুলোর পেছনে রুশ এজেন্টদের হাত থাকতে পারে।
পূর্ব জার্মানির লিপজিগ/হালে বিমানবন্দরটি সামরিক সরঞ্জাম পরিবহনের জন্য জার্মানি ও নোভো (ন্যাটো) মিত্ররা ব্যবহার করে থাকে। এছাড়া এটি ইউক্রেনের আন্তোনভ এয়ারলাইন্স এবং ডিএইচএল লজিস্টিকস কোম্পানির একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি।
পুলিশ জানিয়েছে, বিস্ফোরকভর্তি ওই বস্তুটি পার্ক করে রাখা আন্তোনভ বিমানের খুব কাছেই দেখা গিয়েছিল। পরে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে সেই বিস্ফোরকের ডেটোনেটর বা বিস্ফোরণ ঘটানোর যন্ত্রটি নিষ্ক্রিয় করা হয়।
ঘটনার পর বিমানবন্দরটির উত্তর রানওয়েতে ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক করা হলেও দক্ষিণ রানওয়ে বন্ধ রাখা হয়েছে। জার্মানির স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এই পরিস্থিতিকে একটি অত্যন্ত গুরুতর নিরাপত্তা সংকট বলে উল্লেখ করেছে।
বার্তা নিউজ/এসডব্লিউএন












