ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে জানানো হয়, স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে ভবনধসের খবর পাওয়া যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের অন্তত ছয়টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনীও (এনডিআরএফ) উদ্ধারকাজে অংশ নেয়।
দিল্লি পুলিশের সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টের উপকমিশনার রোহিত রাজবীর সিং জানান, ভবনটির কংক্রিটের ছাদ ঢালাইয়ের সময় দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। নিরাপত্তার কারণে আশপাশের ভবনগুলোর বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। পাশের একটি ভবনও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।
এ ঘটনায় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা সংশ্লিষ্ট জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার ও সহকারী ইঞ্জিনিয়ারকে তাৎক্ষণিক বরখাস্তের নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
মুখ্যমন্ত্রী আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে দ্রুত আর্থিক সহায়তা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ভবনটির ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা আগে থেকেই দৃশ্যমান ছিল। এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, বিকট শব্দের পর ভবনটি ধসে পড়ে। উদ্ধারকর্মীরা পৌঁছানোর আগেই স্থানীয় লোকজন চারজনকে উদ্ধার করেন।
উল্লেখ্য, গত মাসেও দিল্লির সীমাপুরী এলাকায় পাঁচতলা একটি আবাসিক ভবন ধসে দুই শিশুসহ চারজন নিহত হন। পরপর এসব দুর্ঘটনায় রাজধানীর ভবন নির্মাণে নিরাপত্তা ও তদারকি ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
বার্তা নিউজ/এসএফএল













