দমকল বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, সকাল ৯টা ৫০ মিনিটের দিকে তারা ভবন ধসের খবর পায়। এরপরই ঘটনাস্থলে দমকলের ছয়টি ইউনিট পাঠানো হয়, যার মধ্যে ছিল ওয়াটার টেন্ডার, ওয়াটার বাউজার এবং কুইক রেসপন্স ভেহিকেল।
সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে স্টেশন অফিসার ডি কে রাই জানান যে, ধসে পড়া ভবনের নিচে কিছু মানুষ আটকে থাকতে পারে। এরপর তিনি উদ্ধারকাজে সহায়তার জন্য আরও জনবল এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার উপস্থিতি চেয়ে পাঠান।
মোহাম্মদ নাঈম নামের এক প্রত্যক্ষদর্শী ঘটনার বিবরণ দিয়ে বলেন, ‘ঘটনাটি সকাল ৯টা বা সাড়ে ৯টার দিকে ঘটে। আমরা তখন ঘুমাচ্ছিলাম, হঠাৎ বিকট শব্দ শুনে সবাই বাইরে ছুটে আসি। প্রথমে ভেবেছিলাম আমাদের বাড়িই বুঝি ভেঙে পড়ছে। পরে দেখি পাশের নির্মাণাধীন বাড়িটি ধসে পড়েছে। তিন-চারটি লিন্টেল একসঙ্গে ধসে যায়।
একজন আহত শ্রমিক জানান, সেখানে তিন-চারজন ছিলেন। আমরা একটি মরদেহ বের করে আনতে দেখেছি। গত ৩-৪ মাস ধরে ভবনটির নির্মাণকাজ চলছিল’।
সূত্র: এএনআই
বার্তা নিউজ/এসভিএন














