বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার পাগলা বাজার এলাকায় ঘটনাটি জানাজানি হয়। তবে পুলিশ জানিয়েছে, জমি নিয়ে বিরোধের কারণে কক্ষটি নির্বাচনের পর থেকে বন্ধ ছিল। চুরির সময় ও ঘটনা সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
নেতাকর্মীদের ভাষ্য, মাগরিবের নামাজের পর কার্যালয়ে গিয়ে তাঁরা দরজার তালা ভাঙা দেখতে পান। ভেতরে ঢুকে আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন মালামাল খোয়া যাওয়ার বিষয়টি তাঁদের নজরে আসে। তাঁদের দাবি, কার্যালয় থেকে ৩২ ইঞ্চি এলইডি টেলিভিশন, ৪০টি চেয়ার, দুই ডজন কাপ-পিরিচ, আকাশ ডিশ সংযোগ ও কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
খবর ছড়িয়ে পড়লে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করেন। পরে পথসভায় তাঁরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
চরবোরহান ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রেজাউল গাজী বলেন, খবর পেয়ে কার্যালয়ে গিয়ে তিনি তালা ভাঙা এবং ভেতরে মালামাল না থাকার বিষয়টি দেখতে পান। ঘটনাটি পরিকল্পিত বলে অভিযোগ করে জড়িতদের দ্রুত শনাক্তের দাবি জানান তিনি।
ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. ইউনূস হাওলাদার দাবি করেন, কার্যালয় থেকে প্রায় অর্ধলাখ টাকার মালামাল চুরি হয়েছে। বিষয়টি উপজেলা বিএনপির সভাপতিকে জানানো হয়েছে এবং তাঁরা আইনি পদক্ষেপ নেবেন।
উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. ছিদ্দিক মোল্লা বলেন, ঘটনা জানার পর তিনি নেতাকর্মীদের শান্ত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। শুক্রবার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনের সময় ঘরটি কার্যালয় হিসেবে তৈরি করা হয়েছিল। জমি নিয়ে বিরোধ থাকায় নির্বাচনের পর থেকে কক্ষটি বন্ধ ছিল। কবে, কখন বা কীভাবে চুরি হয়েছে, তা জানা যায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বার্তা নিউজ/এমএনকে

.webp)












