রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দ্বিতীয় জানাজা শেষে কুমিল্লার কোটবাড়ির গন্ধমতি গোরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এর আগে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে প্রথম এবং গন্ধমতি স্কুল মাঠে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ স্থানীয় বাসিন্দা ও নিহতের স্বজনরা অংশ নেন। এ সময় বক্তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানান।
কুমিল্লা বর্ডার গার্ড স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী অপ্রতিম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র ছেলে। গত শুক্রবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে শালবন বিহারে ছবি তুলতে যাওয়ার কথা বলে সে বাসা থেকে বের হয়। সন্ধ্যার পরও বাড়ি না ফেরায় সদর দক্ষিণ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার সন্ধান চেয়ে আকুতি জানানো হলেও শেষ পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সংলগ্ন জঙ্গল থেকে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে।
এদিকে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তুহিন, আনাস ও ফাহিম নামে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। আটক তুহিনের বাসা থেকে অপ্রতিমের কাছে থাকা আইফোনটি উদ্ধার করা হয়েছে। তুহিনের মা-ও ফোনটি তাঁর ছেলের কাছে থাকার বিষয়টি স্বীকার করে ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানিয়েছেন।













