গত বছরের মে মাসে নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনাল থেকে মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের পর এর সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। এই মামলায় মোট ২৪ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন। সাক্ষীদের মধ্যে ভুক্তভোগী নারী, তাঁর স্বামী, আসামিদের স্বীকারোক্তি গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট, তদন্ত কর্মকর্তা, এমসি কলেজের অধ্যাপক এবং ওসমানী হাসপাতালের ফরেনসিক চিকিৎসক রয়েছেন।
২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে ওই তরুণীকে (২০) দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়। পরবর্তীতে ভুক্তভোগীর স্বামী শাহপরান থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখ ও দুজনকে অজ্ঞাতনামা করে মামলা দায়ের করেন।
ঘটনার মাত্র তিন দিনের মধ্যে পুলিশ ও র্যাব অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজনসহ মোট আটজনকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেয় এবং ডিএনএ পরীক্ষায় আট আসামির মধ্যে ছয়জনের সঙ্গে ধর্ষণের আলামত মিলে যায়। তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ৩ ডিসেম্বর শাহপরান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।
মামলার আসামিরা হলেন- সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান ওরফে রনি, তারেকুল ইসলাম ওরফে তারেক, অর্জুন লস্কর, আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল, মিসবাউল ইসলাম ওরফে রাজন, রবিউল এবং মাহফুজুর রহমান। তারা সবাই স্থানীয় ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত বলে জানা গেছে।
বার্তা নিউজ/পিআরএএন












