আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে নবপত্রিকা প্রবেশ ও স্থাপনের মাধ্যমে দিনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। সনাতন ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী, দেবী দুর্গার বিভিন্ন রূপের প্রতীক নয়টি উদ্ভিদকে গঙ্গাস্নান করিয়ে মণ্ডপে প্রতিষ্ঠা করা হয়। এরপর বিহিত পূজা ও অঞ্জলি প্রদান করেন ভক্তরা। আগামীকালও সপ্তমী পূজার এ বর্ধিত পর্ব অব্যাহত থাকবে।
এর আগে শুক্রবার মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান এই ধর্মীয় উৎসব। রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির, বনানীর কামাল আতাতুর্ক পার্কের ‘জলজা’ থিমের মণ্ডপ, কলাবাগান মাঠ ও খামারবাড়িসহ সারাদেশে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনায় পূজা উদযাপিত হচ্ছে। বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর রাজধানীতে ২৫৮টিসহ সারাদেশে মোট ৩৩ হাজার ৮৫১টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ১ হাজার ৫০০টি বেশি।
শাস্ত্রীয় গণনা অনুসারে, এ বছর দেবী দুর্গার মর্ত্যে আগমন ঘটেছে ঘোটকে (ঘোড়া) চড়ে এবং প্রস্থান হবে নৌকায়। আগামী সোমবার অনুষ্ঠিত হবে মহাঅষ্টমী ও ঐতিহ্যবাহী কুমারী পূজা; একই দিন সন্ধ্যায় সম্পন্ন হবে সন্ধিপূজা। এরপর মঙ্গলবার মহানবমী এবং বুধবার বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে শেষ হবে ছয় দিনব্যাপী এই মহোৎসব।
পূজা নির্বিঘ্ন করতে দেশজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। জাতীয় টেলিযোগাযোগ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের (এনটিএমসি) বিশেষ মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখা হচ্ছে এবং মণ্ডপগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দিয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন।
বার্তা নিউজ/এমএনকে














