বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং ইডকল আয়োজিত এবারের প্রদর্শনীর প্রতিপাদ্য হলো, ‘প্রতি ইঞ্চি ছাদ কাজে লাগাই, সৌরবিদ্যুতের আয় বাড়াই’।
প্রধানমন্ত্রী জানান, সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন ও সম্প্রসারণ সহজ করতে ‘বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশ ২০২৬’ প্রণয়ন করেছে সরকার। এছাড়া নেট মিটারিং ব্যবস্থার আওতায় ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ৫০ পয়সা হারে বাড়তি বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে কেনার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এই খাতের উদ্যোক্তাদের অর্থায়ন সহজ করতে প্রাথমিকভাবে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার একটি তহবিল বরাদ্দ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
‘ইনোভেটিভ আইডিয়া’ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, তরুণদের উদ্ভাবনী ভাবনা বাস্তবায়নে চলতি বাজেটে স্টার্টআপগুলোর জন্য ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এছাড়া ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট চাহিদার ২০ শতাংশ এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ বিদ্যুৎ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।
কুইক রেন্টালের পরিবর্তে সাশ্রয়ী পন্থায় বিদ্যুৎ উৎপাদনের উপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, বিগত সরকার দেশকে সম্পূর্ণ আমদানিনির্ভর রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল, যার ফলে বর্তমানে সংকট তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার ডিজেল ও কয়লার মজুত বৃদ্ধির পাশাপাশি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিদ্যুৎ খাতে ৪৩ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি প্রদান করেছে। এছাড়া তিনি নিজেও নিজ বাসভবনে সোলার প্যানেল স্থাপন করে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছেন বলে জানান।
কৃষি সেচেও সৌরশক্তির ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, আগামী এক বছরের মধ্যে বরেন্দ্র অঞ্চলসহ দেশের ১৭ হাজার সেচ পাম্পকে সৌরবিদ্যুতের আওতায় আনা হবে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, অর্থ সচিব খায়েরুজ্জামান মজুমদার এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ সচিব মিরানা মাহরুখ।
বার্তা নিউজ/এফএইচআর



.webp)









