২০২২ কাতার ও ২০২৬ বিশ্বকাপ মিলিয়ে ৩৩ বছর বয়সী মার্তিনেজ এ পর্যন্ত মোট ১৩টি ম্যাচ খেলেছেন। সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে সর্বশেষ ম্যাচে মাঠে নেমে ১৯৭৮ বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তি ফিল্লোলের রেকর্ডে ভাগ বসান তিনি। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামা মাত্রই তিনি এই রেকর্ডটি এককভাবে নিজের করে নেবেন।
এই মাইলফলকে পৌঁছানোর পথে ‘দিবু’ খ্যাত মার্তিনেজকে প্রথমে ছাড়িয়ে যেতে হয়েছে সার্জিও রোমেরোকে। ২০১০ ও ২০১৪ বিশ্বকাপ মিলিয়ে ১২টি ম্যাচে আর্জেন্টিনার পোস্ট সামলেছিলেন রোমেরো। এরপর মার্তিনেজ স্পর্শ করেন ফিল্লোলের ১৩ ম্যাচের রেকর্ড, যা তিনি ১৯৭৪, ১৯৭৮ ও ১৯৮২ বিশ্বকাপ মিলিয়ে গড়েছিলেন। আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বকাপের মঞ্চে অন্তত কয়েক মিনিটের জন্য হলেও মাঠে নামা মোট ১৯ জন গোলকিপারের দীর্ঘ তালিকায় ফিল্লোল ও মার্তিনেজের পরই আছেন ১২ ম্যাচ খেলা রোমেরো। এরপর রয়েছেন ১৯৮৬ ও ১৯৯০ বিশ্বকাপ মিলিয়ে ৯ ম্যাচ খেলা নেরি পুম্পিদো। এছাড়া সার্জিও গোইকোচিয়া ও আন্তোনিও রোমা ৬টি এবং রবার্তো আবোন্দানৎসিয়েরি ও দানিয়েল কার্নেভালি ৫টি করে ম্যাচ খেলেছেন।
এই অনবদ্য রেকর্ডের মধ্য দিয়ে ‘বাজপাখি’ মার্তিনেজ আর্জেন্টিনার ফুটবল ইতিহাসের সেরা গোলকিপার হওয়ার চিরন্তন বিতর্কে নিজের জায়গা পোক্ত করেছেন। বিশ্বকাপজয়ী ফিল্লোল ও পুম্পিদোর পাশেই এখন সম্মানের সাথে উচ্চারিত হচ্ছে তার নাম। তবে ইংল্যান্ডের বিপক্ষের এই সেমিফাইনাল ম্যাচটি মার্তিনেজের জন্য এক বিশেষ আবেগঘন মুহূর্ত। কারণ, খুব ছোটবেলা থেকেই তিনি ইংল্যান্ডে বসবাস করছেন। সাম্প্রতিক ইতিহাসের সবচেয়ে সফল আর্জেন্টিনা দলের গোলকিপার হয়ে ওঠার আগে যে দেশ তাকে আপন করে নিয়েছিল, ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে আজ সেই দেশের বিপক্ষেই তাকে মাঠে নামতে হবে।
বার্তা নিউজ/এফএইচআর











