ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রেজাই দাবি করেন, হামলার জন্য ইরানের সশস্ত্র বাহিনী সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করলেও ইউক্রেন ক্ষমা চাওয়ায় অভিযানটি বাতিল করা হয়।
ইরান ও ইউক্রেনের মধ্যে চলমান নতুন উত্তেজনার মধ্যেই এই তথ্য সামনে এলো। এর আগে গত ২৫ জুলাই ক্যাস্পিয়ান সাগরে ইরানের একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার জন্য ইউক্রেনকে দায়ী করে তেহরান। ওই হামলায় জাহাজটির এক ক্রু নিহত হন বলে দাবি করা হয়। এই ঘটনার পর ইউক্রেনের প্রতি ইরানের অবস্থান কঠোর হয় এবং এরই জেরে ওই তিনটি স্থাপনায় হামলার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। তবে আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে ইউক্রেনের লক্ষ্যবস্তু করা তিনটি স্থাপনার নাম, হামলার প্রস্তুতির মাত্রা এবং কিয়েভের ক্ষমা চাওয়ার ধরন সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
একই সাক্ষাৎকারে মোহসেন রেজাই কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের বিষয়েও কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট করে জানান, ইরানের নির্ধারিত রুটের বাইরে হরমুজ প্রণালির কোনো নৌপথ কাউকে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। কোনো বৈরী সামরিক জাহাজ অবৈধ রুট ব্যবহার করে প্রবেশের চেষ্টা করলে সেটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে। এছাড়া সাম্প্রতিক ১৭ দিনের সংঘাতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার কারণে মার্কিন বাহিনীর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং তাদের সামরিক লক্ষ্য অর্জন বাধাগ্রস্ত হয়েছে বলেও দাবি করেন এই ইরানি উপদেষ্টা। তবে নিজের এই দাবির সপক্ষে তিনি নির্দিষ্ট কোনো পরিসংখ্যান বা বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করেননি।
বার্তা নিউজ/এফএইচআর











