পরিবহণ থেকে শুরু করে শিল্প কারখানার জ্বালানির অন্যতম যোগান ডিজেল। কোনো ধরণের পূর্ব প্রস্তুতি ছাড়া দাম বাড়ায় চিন্তিত দেশের ক্ষুদ্র মাঝারি থেকে শুরু করে বৃহৎ উদ্যোক্তারা।
উদ্যোক্তারা বলছেন, গণপরিবহণ ও ব্যবসায়ীরা পণ্য বা সেবার দাম বাড়িয়ে ডিজেলের বাড়তি ব্যয় সমন্বয় করলেও সবার পক্ষে তা সম্ভব নয়। এ অবস্থায় শিল্প বন্ধের ঝুঁকির কথাও বলছেন তারা। কেপিসি ইন্ডাস্ট্রির চেয়ারম্যান কাজী সাজেদুর রহমান বলেন,‘সব ধরণের পণ্য আপনি চাইলেই দাম বাড়াতে পারেন না। আমরা অনেক খাবার জাতীয় পণ্যর দাম বাড়িয়ে দেই। প্রোডাকশন রিলেটেড যে সমস্ত পণ্য আসে,যেখানে আন্তর্জাতিক বাজার জড়িত ইচ্ছে করলেই দাম বাড়ানো যায় না। ব্যাংকের ইন্টারেস্ট জড়িত,লোনের ইন্টারেস্ট দিতে হয়, ট্যাক্স ভ্যাট দিতে হয়, খরচ বাড়তে থাকে, কিন্তু সে অনুযায়ী দাম বাড়ছে না।’
এফবিসিসিআই এর সাবেক সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমাদ বলেন, করোনার পর ব্যবসা বাণিজ্যে গতি ফিরছে। এসময় সরকারের অব্যাহত সমর্থন পেলে আগামী বছরের মধ্যে ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব অনেকটাই। এতে বাড়বে সরকারের রাজস্ব।এই ব্যবসায়ী নেতার আশা, সরকার খুব শিগগিরই ডিজেলের বাড়তি দাম সমন্বয় করে উদ্যোক্তাদের পাশে দাঁড়াবে।
এর আগে গেল তেসরা নভেম্বর রাতে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম লিটারে ৬৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮০ টাকা করে জ্বালানি মন্ত্রণালয়।













