ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা যায়, শ্রেণিকক্ষের জরাজীর্ণ ছাদ চুঁইয়ে টপটপ করে বৃষ্টির পানি পড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে নিজেদের খাতা ও শরীর বাঁচাতে কয়েকজন ছাত্রী এক হাতে ছাতা ধরে অন্য হাতে কলম দিয়ে উত্তরপত্র লিখছে। এমন চরম প্রতিকূল পরিবেশের মধ্য দিয়েই শিক্ষার্থীরা তাদের পরীক্ষা চালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত রবিবার অনুষ্ঠিত অর্ধবার্ষিক পরীক্ষার সময় এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এলাকাবাসীর অভিযোগ, ১৯২৭ সালে প্রতিষ্ঠিত কোটখালী ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার পুরোনো ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না করায় বর্তমানে এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে ছাদ দিয়ে পানি পড়ায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নিয়মিত চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। অন্যদিকে, মাদ্রাসার নির্মাণাধীন নতুন ভবনের কাজ এখনও পুরোপুরি শেষ না হওয়ায় সেটি ব্যবহার করাও সম্ভব হচ্ছে না।
এ বিষয়ে কোটখালী ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা নজির আহমেদ জানান, যে কক্ষটিতে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে সেটি তাদের অন্যতম প্রধান একটি শ্রেণিকক্ষ। ভারী বৃষ্টি হলে ছাদ দিয়ে পানি পড়ায় শিক্ষার্থীরা ভোগান্তিতে পড়ে। তবে বর্তমানে নতুন ভবনের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং আশা করা যাচ্ছে আগামী এক মাসের মধ্যেই নতুন ভবনে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে। তখন এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বার্তা নিউজ/আরএসএল














