সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী সকালে গৌরনদীর সরিকল-বাটাজোর খালপাড়ে একযোগে প্রায় দুই হাজার গাছের চারা রোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। একই সঙ্গে তিনি ফ্যামিলি কার্ডের উপকারভোগীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন, যা শেষ মুহূর্তে তাঁর সফরসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। এরপর তিনি বরিশাল নগরীর কীর্তনখোলা নদীর তীরবর্তী ত্রিশ গোডাউন বধ্যভূমি সংলগ্ন সাগরদী খালপাড়ে দ্বিতীয় দফার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। সেখানে তিনি নিজ হাতে জিআই স্বীকৃত বরিশালের আমড়া এবং নারিকেল গাছের চারা রোপণ করবেন। পাশাপাশি ওই এলাকায় শতাধিক দেশীয় ফলজ, বনজ ও ফুলের গাছ রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে।
বিকেলে বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে বিএনপির এক গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক সভায় অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। এই সভায় বরিশাল বিভাগের সাংগঠনিক নেতা, স্থানীয় সংসদ সদস্য, মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী এবং বরিশাল সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদের প্রশাসকসহ শীর্ষস্থানীয় নেতারা উপস্থিত থাকবেন। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে দলীয়ভাবে কোনো তোরণ, ব্যানার বা ফেস্টুন ব্যবহার না করার কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। জনদুর্ভোগ এড়াতে এর পরিবর্তে গৌরনদী থেকে বরিশাল নগর পর্যন্ত প্রায় ৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে মানবপ্রাচীর তৈরির মাধ্যমে শৃঙ্খলার সঙ্গে তাঁকে শুভেচ্ছা জানানোর ব্যতিক্রমী এক আয়োজন করেছেন বিএনপির নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষেরা।
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির বরিশাল বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও বরিশাল জেলা পরিষদের প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমান জানান, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর ঘিরে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা কাজ করছে। অন্যদিকে, বরিশালের জেলা প্রশাসক মামুন খন্দকার নিশ্চিত করেছেন যে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর সফরের সার্বিক নিরাপত্তা, যান চলাচল ও লজিস্টিক সহায়তার সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের প্রত্যাশা, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের মাধ্যমে বরিশালের উন্নয়ন ও জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে নতুন দিকনির্দেশনা আসবে। দিনব্যাপী সব কর্মসূচি শেষ করে আজ সন্ধ্যায় তাঁর ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।
বার্তা নিউজ/পিআরএএন













