বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) মামলা দায়েরের পরপরই পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। মো. দুলাল হোসেনের বাড়ি পঞ্চগড় সদরের কামাতপাড়া গ্রামে।
কসমো কনজ্যুমার প্রোডাক্টস ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড জানিয়েছে, অভিযুক্ত 'দুলাল স্টোর' দোকানের মাধ্যমে কসমো কনজ্যুমার প্রোডাক্টস'র নিবন্ধিত ব্র্যান্ড 'জোনাকি কয়েল'র অবিকল মোড়ক নকল করে ভেজাল পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করে আসছিল। বিষয়টি অবগত হয়ে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তররে পঞ্চগড় কার্যালয়ে জানানো হলে, গেল ১২ নভেম্বর অভিযান চালিয়ে ৭০ কার্টন নকল কয়েল জব্দ করা হয়। এসময় অভিযুক্ত ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার লিখিত অঙ্গীকার করেন। কিন্তু পরবর্তীতে তিনি গোপনে একই অপরাধ করেন, এমনকি মোড়কের ডিজাইন পরিবর্তন করে প্রতারণা অব্যাহত রাখেন।
কোম্পানির পক্ষ থেকে ধারাবাহিক সতর্কতা ও স্থানীয় বণিক সমিতির মাধ্যমে বহুবার নিষেধ করা সত্ত্বেও অভিযুক্ত ব্যক্তি নকল পণ্য উৎপাদন ও বিক্রয় বন্ধ না করায় কোম্পানি আইনি ব্যবস্থা গ্রহণে বাধ্য হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ২ জুলাই তারিখে পঞ্চগড় সদর থানায় দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ৪৮২/৪৮৬/৪২০/৪২৭ ধারায় একটি প্রতারণা মামলা (মামলা নং-৫) দায়ের করা হয়। মামলা দায়েরের পরপরই পুলিশ অভিযুক্ত দুলাল হোসেন ওরফে 'ছোট দুলাল'কে গ্রেপ্তার করে।
কসমো কনজ্যুমার প্রোডাক্টস ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড কর্তৃপক্ষ জানায়, ভোক্তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও প্রতিষ্ঠানের সুনাম রক্ষায় নকল ও ভেজাল পণ্যের বিরুদ্ধে কোম্পানি "জিরো টলারেন্স" নীতি অনুসরণ করছে এবং ভবিষ্যতেও যে কোনো ব্র্যান্ড জালিয়াতির বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা অব্যাহত রাখা হবে। কোম্পানি ভোক্তাসাধারণকে শুধুমাত্র অনুমোদিত ডিলার ও পরিবেশকের কাছ থেকে 'জোনাকি' কয়েল ক্রয়ের অনুরোধ জানিয়েছে। কসমো কনজ্যুমার প্রোডাক্টস ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড, কসমো গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান।
বার্তা নিউজ/এফএইচআর












