সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় চার মাস আগে পরিবারের আপত্তি উপেক্ষা করে ভারত-তিব্বত সীমান্ত পুলিশের (আইটিবিপি) সদস্য অমিত পাচৌরিকে আদালতে গিয়ে বিয়ে করেন অঙ্কিতা। বিয়ের পর অমিত নিজের কর্মস্থলে ফিরে গেলেও অঙ্কিতা তার বাবা-মায়ের বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন। তবে এই বিয়ে নিয়ে পরিবারের ভেতরে আগে থেকেই চরম বিরোধ চলছিল।
পুলিশ জানিয়েছে, সোমবার (৩ আগস্ট) রাতে বিমল শর্মা ক্ষিপ্ত হয়ে মেয়েকে মারধর করেন এবং একপর্যায়ে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। ঘটনার সময় বিমলের স্ত্রী ও ছেলে বাড়িতেই উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু হত্যাকাণ্ডের পর তিনি তাদের বাড়ি থেকে বের করে দিয়ে নিজে মেয়ের মরদেহের পাশে বসে থাকেন। এ সময় বাড়ি থেকে চিৎকারের শব্দ শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসেন। তারা বারবার দরজায় কড়া নেড়েও কোনো সাড়া না পেয়ে এবং একপর্যায়ে ঘরের আলো নিভে যেতে দেখে সন্দেহবশত পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। তারা অঙ্কিতাকে গলায় শক্ত করে ওড়না পেঁচানো ও অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে। পুলিশ জানায়, সে সময় তার মুখ দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল। দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে বিমল শর্মা জানান, মেয়ের আদালতে গিয়ে বিয়ে করার বিষয়টি তিনি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছিলেন না। বারবার বোঝানোর পরও অঙ্কিতা ওই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে রাজি না হওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়েই তিনি এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন।
বার্তা নিউজ/এফএইচআর











