তিনি সম্প্রতি ঘটে যাওয়া এই সংঘাতকে 'তৃতীয় যুদ্ধ' বা 'মহররমের ১৭ দিনের যুদ্ধ' হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, সারা বিশ্বের কাছে এই যুদ্ধ অদ্ভুত মনে হলেও ইরানি বাহিনীর কাছে এটি পূর্বানুমানযোগ্য ছিল।
আইআরজিসি-র প্রাক্তন এই প্রধানের মতে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পাকিস্তানের ইসলামাবাদে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) লঙ্ঘন করে হামলা চালাতে পারেন এমন আশঙ্কা আগেই ছিল। চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে হরমুজ প্রণালীতে ইরানের সার্বভৌমত্ব মেনে নেওয়া হলেও পরবর্তীতে মার্কিন বাহিনী তা অমান্য করে ওই অঞ্চলে একটি নতুন করিডোর তৈরির চেষ্টা চালায়। ইরান বারবার সতর্ক করার পর দুটি থেকে তিনটি মার্কিন জাহাজে আক্রমণ চালিয়ে তাদের প্রতিহত করে।
ইরানের এই পদক্ষেপের জবাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ ইরানে হামলা চালালে সংঘাত চরম আকার ধারণ করে। পরবর্তীতে ইরানের পক্ষ থেকে জোরালো এবং সফল পাল্টা আক্রমণ চালানো হয়। মহসিন রেজাঈ জানান, ইরানি বাহিনীর শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ও সামরিক হামলার মুখেই বাধ্য হয়ে ইরাকি কুর্দিস্তান এবং কুয়েতে অবস্থিত দুটি কৌশলগত সামরিক ঘাঁটি খালি করে পিছু হটেছে মার্কিন সেনারা।
সূত্র: মেহের নিউজ এজেন্সি











