বিক্ষোভ এখন শুধু পোশাকের স্বাধীনতার দাবিতে সীমাবদ্ধ নয়, আন্দোলনকারীরা ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির অপসারণ চাইছেন।
ইরানের কর্তৃপক্ষ বিক্ষোভ দমনে কঠোর ভূমিকা নিচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে তাজা গুলি ব্যবহারের। এরই মধ্যে চলমান বিক্ষোভে মারা গেছেন কমপক্ষে ১৮৫ জন। দেশটির সরকার ১৪ হাজার বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করেছে। সেই সঙ্গে চালানো হয়েছে তাণ্ডব।
বুধবার (২ নভেম্বর) জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের মানবাধিকার পরিস্থিতির বিশেষ প্রতিনিধি জাভেদ রেহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, গত ছয় সপ্তাহে হাজার হাজার পুরুষ, মহিলা এবং শিশুসহ ১৪ সহস্রাধিক লোককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে মানবাধিকার রক্ষক, ছাত্র, আইনজীবী, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের কর্মীরাও আছেন। খবর সিএনএনের।
তেহরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে সম্পৃক্ততার জন্য প্রায় এক হাজার মানুষের বিরুদ্ধে অভিযোগ করার প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, শাস্তি হিসেবে অনেকের মৃত্যুদণ্ড হতে পারে।
নরওয়েভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন ‘ইরান হিউম্যান রাইটস’ শনিবার এক বিবৃতিতে বলেছে, সিস্তান ও বেলুচিস্তান প্রদেশে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক নিহতের ঘটনা ঘটেছে। পুরো দেশটিতে মোট নিহতের অর্ধেকই ঘটেছে এই প্রদেশে।
তবে দেশটিতে ইন্টারনেটের ওপর বিধি-নিষেধ থাকায় হতাহতের ঘটনা দেরিতে প্রকাশিত হচ্ছে।
অ্যাক্টিভিস্ট ও বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ক্রমবর্ধমান বিক্ষোভ দেশটির জাতীয় বিদ্রোহ ও শাসনের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।












