এদিন স্থানীয় বিভিন্ন মামলা ও বিরোধ নিষ্পত্তির শুনানিতে অংশ নিতে সাধারণ মানুষরা আদালতটিতে জড়ো হয়েছিল। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, স্থানীয় সম্প্রদায়ের নেতাদের উপস্থিতিতে গাছের নিচে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে আদালত ও সালিশের কার্যক্রম চলছিল।
আরএসএফ-এর নিয়ন্ত্রণে থাকা ওই এলাকার আদালত ভবনটি হামলায় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে স্থানীয় চারজন বিশিষ্ট ট্রাইবাল নেতা এবং আধাসামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) দুই কমান্ডারও রয়েছেন বলে জানা গেছে।
সুদান সেনাবাহিনী ও আরএসএফ প্রধানের মধ্যকার তিন বছর ধরে চলা এই গৃহযুদ্ধে এখন পর্যন্ত হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। দারফুরের সর্বশেষ শক্তিশালী ঘাঁটি এল-ফাশের দখলের পর থেকেই মূলত দুই পক্ষের মধ্যে ড্রোন হামলার প্রবণতা মারাত্মকভাবে বেড়ে গেছে।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসেই কেবল ড্রোন হামলায় এক হাজারেরও বেশি সাধারণ নাগরিক নিহত হয়েছেন। চলমান এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতের ফলে লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এবং বিশ্বের সবচেয়ে বড় মানবিক সংকটের সৃষ্টি হয়েছে।
দারফুর অঞ্চলের এই দীর্ঘস্থায়ী অস্থিরতা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা চরম দুর্বিষহ করে তুলেছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই নৃশংস সহিংসতার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে এবং অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির জোরালো দাবি জানিয়ে আসছে।
সংঘাতের এই ভয়াবহ রূপ রোধে কার্যকর কোনো কূটনৈতিক পদক্ষেপ এখনো দৃশ্যমান নয়। ফলে সুদানের সাধারণ মানুষের এই চরম দুর্ভোগ এবং মানবিক বিপর্যয় থেকে মুক্তির কোনো আশু লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।
বার্তা নিউজ/এসডব্লিউএন













