নতুন এই নীতিমালা অনুযায়ী, শিক্ষকদের প্রথম নিয়োগের পর টানা দুই বছর চাকরি সম্পন্ন হলে তবেই তারা বদলির আবেদন করতে পারবেন। একইভাবে নতুন কোনো কর্মস্থলে যোগদানের পর পুনরায় আবেদন করতে হলে সেখানেও অন্তত দুই বছর কর্মরত থাকতে হবে। একজন শিক্ষক তার পুরো চাকরিজীবনে সর্বোচ্চ তিনবার এই বদলির সুযোগ পাবেন। অনলাইনের এই প্রক্রিয়ায় মাউশি কর্তৃক প্রকাশিত শূন্য পদের বিপরীতে প্রথমে নিজ জেলা, নিজ জেলায় পদ না থাকলে নিজ বিভাগ এবং বিশেষ প্রয়োজনে স্বামী বা স্ত্রীর কর্মস্থলসহ দেশের যে কোনো জেলায় আবেদনের সুযোগ রাখা হয়েছে।
নীতিমালায় বলা হয়েছে, একটি প্রতিষ্ঠানের এক বিষয়ে বছরে একজন এবং সর্বোচ্চ দুইজন শিক্ষক বদলি হতে পারবেন। একই পদের বিপরীতে একাধিক আবেদন জমা পড়লে নারী প্রার্থী, জ্যেষ্ঠতা, কর্মস্থলের দূরত্ব ও জীবনসঙ্গীর কর্মস্থল বিবেচনা করে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হবে। বদলি হওয়া শিক্ষকদের এমপিও, জ্যেষ্ঠতা ও আর্থিক সুবিধাদি অক্ষুণ্ন থাকবে, তবে এতে কোনো টিএ-ডিএ ভাতা মিলবে না। আদেশ জারির ১০ দিনের মধ্যে অবমুক্ত হয়ে পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে হবে। অন্যদিকে ফৌজদারি মামলা চলমান কিংবা সাময়িক বরখাস্ত থাকা শিক্ষকেরা এ প্রক্রিয়ার বাইরে থাকবেন।








.webp)





